আইএসের বোমা তৈরির গবেষণায় নতুন প্রজন্মের বিস্ফোরক রয়েছে

174923_11111
Share Button

সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক :: ধ্বংসাবশেষে পরিণত হওয়া মসুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে ইরাক ও সিরিয়ার ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিরা একটি নতুন ধরনের বোমার উন্নয়ন করছিল; যা এয়ারপোর্ট স্ক্যানারের চোখকে সহজেই ফাঁকি দিতে পারত বলে জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

গত জানুয়ারিতে পুনর্দখল করা মসুল বিশ্ববিদ্যালয়ের জঙ্গিদের রেখে যাওয়া কিছু প্রমাণ দেখে তারা এ ধারণা করছেন।

এটি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বাস করা হয় যে জঙ্গিদের বোমা তৈরি প্রকল্পের প্রধান কেন্দ্র ছিল মসুল বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সরঞ্জাম ও ল্যাব ব্যবহার করে তারা বোমার উন্নয়ন সাধন করত বলে মনে করা হচ্ছে।

এখন মার্কিন কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে, জঙ্গিদের গবেষণায় নতুন প্রজন্মের শক্তিশালী বিস্ফোরকসম্পন্ন বোমা অন্তভূর্ক্ত ছিল; যা কম্পিউটারেও ধরা পড়বে না।

২০১৪ সালে যখন আইএস মসুলকে কব্জা করে ফেলে। তখন তারা শহরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটিও দখল করে নেয় এবং এতে সব আধুনিক নিরাপত্তা স্ক্যানার এবং প্রয়োজনীয় স্ক্রীনিং সরঞ্জাম ছিল; যা তাদের নতুন বোমা পরীক্ষা করার জন্য বেশ কাজে দেয়।

একজন কমান্ডার আমাদের জানান, প্রমাণ গোপন করতে আইএস কিছু সুযোগ সুবিধা পুড়িয়ে ফেলেছে। কিন্তু তারা যেসব চিহৃ পিছনে রেখে গেছে তা মার্কিন কর্মকর্তাদের জন্য উদ্বেগের নতুন কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

আইএসের হুমকির কারণেই ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দশ বিমানবন্দর থেকে মার্কিন ফ্লাইটে ইলেকট্রনিক্স বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সূত্র: সিবিএস নিউজ






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • সিরিয়ায় কুর্দি অবস্থানে তুরস্কের বিমান হামলা
  • অর্থ সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কার্যক্রম বন্ধ
  • হামলা চালাতে রাশিয়ার অপেক্ষায় তুরস্ক: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ‘গুগল-ফেসবুক মানব সভ্যতার জন্য হুমকি’
  • ১২০০ সুন্দরীর সঙ্গে যৌন মিলন! অত:পর…
  • কাশ্মীরের একটি গ্রামের নাম ‘বাংলাদেশ’!
  • মিসরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন মোবারক
  • আত্মঘাতী বোমা হামলা হারাম: পাকিস্তানি আলেমদের ফতোয়া