গণতন্ত্র মুক্তি দিবস আজ

noor-hossen-4
Share Button

সাতক্ষীরা নিউজ ডেস্ক :: আজ ৬ ডিসেম্বর, গণতন্ত্র মুক্তি দিবস। স্বৈরাচার পতনের ২৬ বছর পূর্তি আজ। ১৯৯০ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার উত্তাল গণঅভ্যুত্থানের মুখে পতন হয় সামরিক স্বৈরশাসক এইচএম এরশাদের। আর এ পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের লেবাসে দীর্ঘ সামরিক শাসনের অবসান হয়, মুক্তি পায় কলঙ্কিত গণতন্ত্র।

১৯৮২ সালের এই দিনে জেনারেল জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এইচএম এরশাদ অবৈধ পথে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে সামরিক শাসন কায়েম করেন। গুটিকয়েক রাজনৈতিক নেতা নিজেদের দল ছেড়ে ক্ষমতার ভাগ নিতে এরশাদের সঙ্গে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালের মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে ছাত্রসমাজ শুরু করে এরশাদবিরোধী আন্দোলন। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করেছে রাজপথে।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ৮ দলীয়, বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় এবং সিপিবি, জাসদ (ইনু), ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্বে ৫ দলীয় জোট সম্মিলিতভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। আন্দোলন করতে গিয়ে রাজপথে প্রাণ দিতে হয় নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, ডা. মিলনসহ নাম অজানা অনেক অকুতোভয় মানুষকে। রক্তের সিঁড়ি বেয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকার রাজপথ।

তীব্র হয় গণআন্দোলন, রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানে। সামরিক শিকলে বন্দী গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হয় ১৯৯০ সালের ১৯ নভেম্বর। ওইদিনই তিনটি জোট ঐক্যবদ্ধভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা ঘোষণা করে। পতন হয় স্বৈরাচারী এইচএম এরশাদ সরকারের।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের ভিত্তকে আরো সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরো সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি ১২৮ কর্মকর্তার
  • আজ প্যারিস যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
  • যশোরে ‘শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ উদ্বোধন
  • নির্বাচন অবাধ করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব প্রশাসনের : সিইসি
  • বিদ্যুতের আওতায় দেশের ৮৩ শতাংশ মানুষ : প্রধানমন্ত্রী
  • সারা দেশে আজও বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে
  • আজ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস
  • দুর্নীতিবাজরা সীমা ছাড়িয়ে গেছে : দুদক চেয়ারম্যান