এরদোগান পরিবারের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের সত্যতা পাওয়া যায়নি

Share Button

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের পরিবারের বিরুদ্ধে অফশোর কোম্পানিতে অর্থ পাচারের অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে আর অগ্রসর না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আঙ্কারার প্রধান প্রসিকিউটর কার্যালয়।

রবিবার রাষ্ট্র পরিচালিত আনাদুলো এজেন্সির প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির প্রধান বিরোধী রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, এরদোগানের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা বিদেশি অফশোর কোম্পানিতে হাজার হাজার ডলার পাচার করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে ছিল এরদোগানের ভাই, তার ছেলে এবং তার নির্বাহী সহকারী।

সিএইচপি’র প্রধান কেমাল কিলিকডারগ্লু’র অভিযোগের ভিত্তিতে তার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট চাওয়া হয়। তার দেয়া ব্যাংকিং ডকুমেন্টসমূহের সত্যতা যাচাই করে আঙ্কারার প্রধান প্রসিকিউটর কার্যালয়। প্রয়োজনীয় যাচাই শেষে প্রসিকিউটর কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে যে, প্রাসঙ্গিক লেনদেন মানি লন্ডারিং অপরাধের অংশ নয়।

কেমাল কিলিকডারগ্লু’র অভিযোগে বলা হয়েছিল যে, অভিযুক্ত পাঁচজন ট্যাক্স হ্যাভেন ‘আইল অফ ম্যান’ এর মাধ্যমে একটি অফশোর কোম্পানির একাউন্টে ১৫ মিলিয়ন ডলার লেনদেন করেছেন।

এক বিবৃতিতে প্রসিকিউটর কার্যালয় থেকে বলা হয়, ‘দুর্নীতির মাধ্যমে ‘বেলওয়ে’ কোম্পানির কাছে অর্থ স্থানান্তরের পক্ষে জোড়ালো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’

মানি লন্ডারিং এর অভিযোগের কোনো প্রমাণ না থাকায় এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া অপ্রয়োজনীয় বলে বিবৃতিতে বলা হয়।



(পরবর্তী সংবাদ) »



সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • ইয়েমেনে বিয়ে বাড়িতে বিমান হামলায় নিহত ২০
  • কাবুলে ভোটার নিবন্ধনকেন্দ্রে হামলায় নিহত বেড়ে ৬৩
  • নিকারাগুয়ায় বিক্ষোভে সাংবাদিকসহ নিহত ২৫
  • কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ১২
  • ভারতীয় সিরিয়ালের কারণে সামাজিক অবক্ষয় ঘটছে: মমতা
  • সকল রোহিঙ্গাকে স্থায়ীভাবে ফেরত নিতে কমনওয়েলথের আহ্বান
  • আগাম নির্বাচন ঘোষণা করেছেন এরদোগান
  • উপলক্ষ নববর্ষ: মিয়ানমারে ৮ সহস্রাধিক বন্দীকে ক্ষমা ঘোষণা