৪ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২১২৩

Share Button

অনলাইন ডেস্ক :: ক্রমশ বেড়ে চলছে সড়কে প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (১ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল) ১ হাজার ৮৭১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২ হাজার ১২৩ জন। আহত হয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৮ জন আহত হয়েছেন। যাত্রী কল্যাণ সমিতির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রসমূহে প্রচারিত সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ নিয়োমিত মনিটরিং করে এই প্রতিবেদন তৈরি করে সংগঠনটি।

দেশের ৬টি বিভাগীয় হাসপাতালের তথ্য অনুসারে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিগত ৪ মাসে মারা গেছেন ২০৬ জন। বিদায়ী বছরের একই সময়ে ছোট-বড় ১ হাজার ৭৬৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৯৭৯ জন নিহত ও ৪ হাজার ৭২৭ জন আহত হয়েছিলেন।

এতে দেখা গেছে ২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে মোট দুর্ঘটনা ১ দশমিক ৬ শতাংশ। আর নিহত ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং আহত ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান মতে, জানুয়ারি মাসে ৪৯৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় এক হাজার ৩৫৩ জন আহত ও ৫১৪ জন নিহত হন। ফেব্রুয়ারি মাসে ৪৩৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় এক হাজার ৫২১ জন আহত ও ৪৫৯ জন নিহত হন। মার্চ মাসে ৪৯১টি সড়ক দুর্ঘটনায় এক হাজার ৫০৬ জন আহত, ৪৮৩ জন নিহত হয়েছেন। এপ্রিল মাসে ৪৪২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৭৮ জন আহত, ৪৬১ জন নিহত হন।

চার মাসের এই ঘটনায় নিরাপদ সড়ক চাই এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, চালকদের মধ্যে মাদকাসক্ত সংখ্যা বেড়ে গেছে। যে কারণে তাদের মানবিকতা কাজ করছে না। তিনি বলেন, যথাযথ আইনের ব্যবহার না থাকায় এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চালক না থাকায় সড়ক দুর্ঘটনা দিনে দিনে বাড়ছে। এছাড়া প্রশিক্ষিত চালকদের সংখ্যা বাড়ানোর দিকে সরকারের নজর দেয়ার কথা বলেছেন তিনি।

এদিকে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজান্মেল হোসেব কিছু সুপারিশ মালা তুলে ধরেন। তার সুপারিশ মালায় রয়েছে- সড়ক দুর্ঘটনাকে জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে জরুরি ভিক্তিতে এইসব দুর্ঘটনার প্রাণহানী ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে উদ্যোগ গ্রহণ করা। মালিক-শ্রমিক-যাত্রী-সরকার মিলে সম্মিলিতভাবে এই সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ। ফিটনেসবিহীন মেয়াদোত্তীন্ন লক্কড়-ঝক্কড় যানবাহন উচ্ছেদ করে মানসম্মত যানবাহনের ব্যবস্থা করা।

এছাড়া চালকদের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। চালকদের হাতে দৈনিক চুক্তিভিক্তিক বাস, ট্রাক, হিউম্যান হলারসহ অনান্য যানবাহন ইজারা দেওয়া বন্ধ করা। দেশের সকল বেহাল সড়ক-মহাসড়ক সংস্কার করা। ট্রাফিক আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা।বিআরটিএকে শক্তিশালী করা। পরিবহন খাতকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করা। ফুটপাত নিমার্ণ, সংস্কার, বেদখল মুক্ত করে হাঁটার পরিবেশ নিশ্চিত করা।






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • নির্বাচনে জয়ী হতে গিয়ে যেন দলের বদনাম না হয় : প্রধানমন্ত্রী
  • আন্দোলনরত শিক্ষকরা রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন
  • একনেকে ১৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
  • সোমবার আমরণ অনশনে যাবেন শিক্ষকরা
  • মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে শিগগিরই নতুন আইন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
  • কবি সুফিয়া কামালের আজ জন্মদিন
  • আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস
  • ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ