এই খাবারগুলি খেলে বুড়ো বয়সেও ‘বুড়ো’ হবেন না!

Share Button

আয়নার সামনে দাঁড়ালেই চোখের নীচে অসংখ্য বলিরেখা, কানের কাছে পাক ধরা চুল, এসব দেখলে কার না মন খারাপ হয়। ‘বুড়ো হয়ে গেলাম’— ভেবে মন খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। ফলে, খাদ্য তালিকা থেকে একে একে বাদ দিতে হয় প্রায় প্রতিটি প্রিয় মুখোরোচক পদ। কিন্তু মন তো মানতে চায় না! আর তাই মন ভালো করতে চকোলেট খেতে পারেন।

ঠাট্টা নয়, জানেন কি চকোলেট আপনার চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে দেবে না। আর শুধু চকোলেটই নয়, এমন বেশ কিছু খাবার বা পানীয় আছে যেগুলি প্রতিদিনের ডায়েটে রাখতে পারলে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়বে না দীর্ঘদিন। আসুন সেরে নেওয়া যাক সেই সব খাবারের সুলুক সন্ধান

ক) টক দই: পঁয়ত্রিশ পেরোলেই হাড় দুর্বল হতে থাকে। বাত বা অস্টিওপরেসিসের মতো সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা রোধে সব থেকে দরকারি উপাদান হল ক্যালসিয়াম। কারণ, বাত বা অস্টিওপরেসিসের মতো সমস্যায় শরীরে বুড়োটে ছাপ পড়ে যায়। হাড় সুস্থ রাখতে তাই প্রতি দিন ডায়েটে রাখুন এক বাটি টক দই। টক দইয়ের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম।

খ) বাদাম: শরীর ও ত্বকের স্বাস্থ্যের পক্ষে বাদাম খুবই উপকারী একটি উপাদান। বাদামের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজ, ফাইটোকেমিক্যাল ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। তাই রোজ ঘুম থেকে উঠে তিন-চারটে আমন্ড বা কাজু বা বিকেলে এক মুঠো চিনে বাদাম খেতে পারলে তা আপনার বয়স বাড়ার গতি কমিয়ে দিতে পারে। এ ছাড়াও বাদাম বেটে ফেশিয়াল বা বাদাম তেল দিয়ে চুলে মাসাজ করলে ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভাল থাকবে।

গ) চকোলেট: প্রতিদিন ডায়েটে চকোলেট, কোকো বা ওই জাতীয় কিছু খেতে পারলে উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির সমস্যা এমনকি ডিমেনশিয়ার মতো অসুখ থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে চকোলেট। আর ত্বকের বলিরেখা রুখতে চকোলেট ফেশিয়ালের কথা তো অনেকেই শুনেছেন।

ঘ) মাছ: মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। রোজ ডায়েটে মাছ থাকলে বয়সকালে চোখে ছানি পড়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। মাছের তেল হার্ট ভাল রাখে একই সঙ্গে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই মাছে-ভাতে বাঙালিরা কিন্তু এ ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পাবেনই।