নামাজ পড়ার ফজিলত

Share Button

১। হযরত হানযালা আল উসাইদী রাযি. হতে বর্ণিত,

عن حنظلة الاسيدى ان رسول الله صلى الله عليه و سلم قال من حافظ على الصلوات الخمس على وضوئها ومواقيتها وركوعها وسجودها يراها حقا لله عليه حرم على النار

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে এরূপ পাবন্দির সাথে আদায় করে, উজু ও সময়ের এহতেমাম করে, রুকু সেজদা উত্তমরূপে আদায় করে এবং এইরূপ নামাজ আদায় করাকে নিজের উপর আল্লাহর হক মনে করে তবে জাহান্নামের আগুনের জন্য তাকে হারাম করে দেয়া হবে।(মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১৮৩৭২)

২। হযরত আবু হুরায়রা রাযি. হতে বর্ণিত

أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- كان يقول الصلوات الخمس والجمعة إلى الجمعة ورمضان إلى رمضان مكفرات ما بينهن إذا اجتنب الكبائر.

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমআর নামাজ পরবর্তী জুমআর নামাজ পর্যন্ত এবং রমজানের রোজা পরবর্তী রমজানের রোজা পর্যন্ত মধ্যবর্তী সকল (সগীরা) গুনাহের জন্য কাফফারা হবে। যদি এই আমলসমূহ পালনকারী কবীরা গুনাহ হতে বেঁচে থাকে।(সহীহ মুসলিম,হাদীস নং ৫৭৪,মুসনাদে আহমদ ,হাদীস নং ৯১৮৬)

৩। হযরত আবু হুরায়রা রাযি. হতে বর্ণিত,

أن رسول صلى الله عليه و سلم قال أرأيتم لو أن نهرا بباب أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات هل يبقى من درنه شيء ؟ قالوا لا يبقى من درنه شيء قال فذلك مثل الصلوات الخمس يمحو الله بهن الخطايا

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, বল দেখি যদি কোন ব্যক্তির দরজার সামনে একটি নহর প্রবাহিত থাকে, যাতে সে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে, তবে তার শরীরে কি কোন ময়লা বাকী থাকবে? সাহাবাগন আরজ করলেন, কিছুই বাকী থাকবে না। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের অবস্থাও এরকমই যে, আল্লাহ তাআলা তার বদৌলতে গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন।(জামেউত তিরমিজী, হাদীস নং ২৮৬৮,বুখারী শরীফ হাদীস নং ৫০৫,মুসলিম শরীফ হাদীস নং ১৫৫৪ )

৩।
عن أبي ذر أن النبي صلى الله عليه وسلم خرج زمن الشتاء والورق يتهافت فأخذ بغصنين من شجرة قال فجعل ذلك الورق يتهافت قال فقال يا أبا ذر قلت لبيك يا رسول الله قال إن العبد المسلم ليصل الصلاة يريد بها وجه الله فتهافت عنه ذنوبه كما يتهافت هذا الورق عن هذه الشجرة

হযরত আবু যর রাযি. হতে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদিন শীত কালে বের হলেন, তখন গাছের পাতা ঝরছিল। তিনি একটি গাছের ডাল ধরলেন ফলে এর পাতা আরো বেশী ঝরতে লাগল। তিনি বললেন,হে আবু যর! আমি বললাম উপস্থিত, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, মুসলিম বান্দা যখন ইখলাসের সাথে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নামাজ পড়ে তখন তার গুনাহ সমূহ এমনভাবে ঝরে পড়ে যেমন এই গাছের পাতা ঝরে পড়ছে।( মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ২১৫৫৬)






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • স্বামী-স্ত্রীর যে মারাত্মক ভুলের কারণে সন্তান প্রতিবন্ধী হতে পারে !
  • এবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে পবিত্র শবেবরাত উদযাপিত
  • আজ পবিত্র শবেবরাত
  • শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা আজ
  • সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি – ২০১৮
  • রাসূল (সা.)’র জন্মের সময় যে অলৌকিক ঘটনাগুলো ঘটেছিলো
  • হজযাত্রীদের নিবন্ধনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ