খুলনা সিটি নির্বাচন

বড় ব্যবধানে আ.লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক বিজয়ী

Share Button

অনলাইন ডেস্ক :: খুলনা সিটি নির্বাচনে বড় ব্যবধানে আ.লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক বিজয়ী হয়েছেন। নির্বচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য জানিয়েছে, তালুকদার আবদুল খালেক বিজয়ী হওয়ায় খুলনাজুড়ে আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা।

মঙ্গলবার রাতে নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে স্থাপিত নির্বাচনী ফলাফল সংগ্রহ ও ঘোষণা কেন্দ্র থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেককে বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করা হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন।

সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফলে খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মোট ২৮৯ কেন্দ্রের মধ্যে ২৮৬ টি কেন্দ্রে তালুকদার আব্দুল খালেক(আ.লীগ) ১৭৬৯০২ ও নজরুল ইসলাম মঞ্জু (বিএনপি) ১০৮৯৫৬ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া তিনটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত রয়েছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৬৭ হাজার ৯৪৬ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন তিনি।

দিনভর কয়েকটি কেন্দ্রে নানা কেন্দ্র দখল অনিয়ম, অভিযোগ, ব্যালট পেপারে জোরপূর্বক সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। আবার সুষ্ঠু ভোটও হয়েছে অনেক কেন্দ্রে। খুলনা আ’লীগের মেয়র প্রার্থী বলেন, ভোট ভালো হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী বলেন, অন্তত ৪০টি কেন্দ্রে অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে।

জাল ভোটের অভিযোগে একটি কেন্দ্রে ভোট বাতিল, দুটি কেন্দ্র এবং একটি বুথে ভোট স্থগিত করা হয়। এর বাইরে একটি কেন্দ্রের অদূরে বিএনপির নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করা হয়েছে।

২৪ নং ওয়ার্ডের সরকারি ইকবাল নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করে দেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। নৌকা প্রতীকে সিল মারার ঘটনায় এছাড়া রূপসা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও রূপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও ভোট স্থগিত হয়।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে নগরীর পাইওনিয়ার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে এসে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক বলেছেন, জনগণের রায় যে দিকেই যাক না কেন তা মেনে নেব। জনগণের রায় যাই হোক না কেন তা মেনে নেব। সবাই সুষ্ঠুভাবে ভোট দিন। ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে।

খুলনা সিটি করপোরেশনে খালেক ছাড়াও মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির এস এম শফিকুর রহমান (লাঙল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অধ্যক্ষ মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক (হাত পাখা) এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবির মিজানুর রহমান বাবু (কাস্তে)।

খুলনা সিটিতে মোট ভোটার চার লাখ ৯৩ হাজার ৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৬ ও নারী দুই লাখ ৪৪ হাজার ১০৭ জন। বুথ সংখ্যা এক হাজার ১৭৮টি। প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার ছিলেন ৪ হাজার ৯৭২ জন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ হোসেন জানান, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুটি ভোটকেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার হয়েছে। নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২০৬ নম্বর কেন্দ্র ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩৯ নম্বর কেন্দ্রে মোট ১০টি ইভিএমে ভোট হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখার এ কর্মকর্তা বলেন, ১০টি ভোটকক্ষের প্রতিটিতে একটি করে ইভিএম ছিল।

নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ ৫টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী তাদের নিজ নিজ দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে লড়াই করেছেন। এছাড়া ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৪৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৮ জন নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • ৩ দিনের মধ্যে কক্ষপথে পৌঁছাবে বঙ্গবন্ধু-১
  • ঐতিহাসিক চা শ্রমিক দিবস আজ
  • সাতক্ষীরা সহ প্রাথমিকের শেষ ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা ১ জুন
  • পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
  • পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • চাঁদ দেখা যায়নি, শুক্রবার রোজা
  • আজ রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী