প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের হাত-পা বেঁধে দিয়েছেন: রিজভী

Share Button

অনলাইন ডেস্ক :: ‘খুলনা সিটি করপোরেশনে ‘সুষ্ঠু নির্বাচন’ হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী ভোটারদের সঙ্গে শ্রেষ্ঠ তামাশা করেছেন। এই বক্তব্য প্রমাণ করে তার অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তিনি নির্বাচন কমিশনের হাত-পা বেঁধে দিয়েছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ।

সোমবার সকালে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, খায়রুল কবির খোকন, তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, আমিনুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন খান প্রমুখ।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বশীল পদে থেকে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছেন। এজন্যই তিনি বলতে পেরেছেন এমপি-মন্ত্রীরা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করে না। কিন্তু, বাস্তবতা হলো গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রভাবিত করতে গাজীপুরের টঙ্গিতে রবিবার স্থানীয় এমপির বাসায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এমপি-মন্ত্রীদের বৈঠক হয়েছে, যা নির্বাচনী আচরণবিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।’

রবিবার এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারের ব্যাপক উন্নয়নের ফলেই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে খুলনার মানুষের সমর্থন মিলেছে। এই বক্তব্যের জবাবে রিজভী বলেন, ‘ভোটারবিহীন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য খুলনার ভোটারদের সঙ্গে শ্রেষ্ঠ তামাশা। ভোটারদের অধিকার বঞ্চিত করে তাদের তিনি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছেন। শেখ হাসিনার নতুন মডেলের ‘চমৎকার’ নির্বাচনে খুলনায় অর্ধেকেরও কম ভোটার কেন্দ্রে যেতে পারেনি, কেন্দ্রে গিয়েও ভোট দিতে পারেননি হাজারো মানুষ। এজন্য লজ্জায় এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দিতে পারছে নির্বাচন কমিশন।’

নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে- প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনায় করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে পছন্দের লোকজন ঢুকিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাদের হাত-পা বেঁধে দিয়েছেন। ফলে খুলনাতে ইসিকে সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দেখা গেছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে পরিষ্কার হয়ে গেছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনও হবে খুলনা মডেলে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রমাণ করলেন তার অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা হবে বিরোধী দলগুলোর জন্য আত্মঘাতী।’

রিজভী অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসান ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মিজানুর রহমান রাজকে নির্যাতনের জন্য আবারো রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। তরুণ সমাজকে ভীত করার জন্যই এটি করা হয়েছে। এই দু’জন ছাড়াও গ্রেপ্তার নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি জানান তিনি।






সঙ্গতিপূর্ণ আরো খবর

  • অক্টোবরেই নির্বাচনকালীন সরকার : ওবায়দুল কাদের
  • দেশের সাংবিধানিক ধারাকে আমরা জলাঞ্জলি দিতে পারি না : সেতুমন্ত্রী
  • দলের প্রয়োজনে নির্বাচন করবো: অর্থমন্ত্রী
  • খালেদা জিয়া অন্যের সাহায্য ছাড়া হাঁটতে পারছেন না: ফখরুল
  • সেনা মোতায়েনের পরিস্থিতি হলে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে: কাদের
  • সামরিক পরিবারের সদস্য হয়েও সিএমএইচে বিশ্বাস নেই খালেদার: ওবায়দুল
  • চিকিৎসা নয় মূলত রাজনৈতিক ইস্যু খুঁজছে বিএনপি: সেতুমন্ত্রী
  • যথাসময়ে নির্বাচন হবে: প্রধানমন্ত্রী