কাঁঠালের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা

Share Button

স্বাস্থ্য ডেস্ক :: সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সহজলভ্য হওয়ায় এটি দেশের সব জায়গাতেই পাওয়া যায়। কাঁচা হোক অথবা পাকা দুভাবেই এটি খাওয়া যায়। পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এই ফলটি আলসার, ক্যানসার, বার্ধক্য প্রতিরোধ, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং ডায়াবেটিস রোগীর রক্তের চিনির মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম।

কাঁঠালের হলুদ কোষ ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ। অপুষ্টিজনিত সমস্যা রাতকানা এবং রাতকানা থেকে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করার জন্য কাঁঠাল খুবই উপযোগী। ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে ত্বক খসখসে হয়ে যায়। গর্ভবতী এবং বুকের দুধ খাওয়ান এমন মায়েদের কাঁঠাল দরকারি ফল।

কাঁঠালে ভিটামিন সি এবং কিছুটা বি রয়েছে। ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দাঁতের মাড়ি শক্তিশালী করে। কাঁঠালে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস আছে যা আলসার, ক্যানসার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।

প্রচুর পরিমাণে আমিষ, শর্করা ও ভিটামিন থাকায় কাঁঠাল মানবদেহের জন্য উপকারী। এটি পটাশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস। পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ফলটিতে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম হাড় গঠন ও শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

কাঁচা কাঁঠাল আমিষ ও ভিটামিনসমৃদ্ধ তরকারি। কাঁঠালের বিচি বাদামের মতো ভেজে খাওয়া যায়। তরকারিতেও ব্যবহার করা যায়।

হাঁপানি রোগের উপশমে কাঁঠাল গাছের শেকড় সিদ্ধ করে খেলে উপকার হয়। এছাড়াও জ্বর, চর্মরোগের সমস্যা এবং ডায়রিয়া নিরাময়ে কাঁঠালের শেকড় কার্যকরী।