শুক্রবার, জানুয়ারি ১৮, ২০১৯

শপথ নিলেন ২৪ মন্ত্রী

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের রেকর্ড গড়ার পর চমক লাগানো মন্ত্রিসভার ২৪ জন মন্ত্রী শপথ নিলেন। এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন শেখ হাসিনা। এ ছাড়া রয়েছেন ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও ৩ জন উপমন্ত্রী।

সোমবার বিকেলে সাড়ে ৩টা দিকে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান। তার আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা শপথ নিলেন চতুর্থবারের মতো।

সংবিধান অনুযায়ী, নতুন এই মন্ত্রিসভার শপথের মধ্য দিয়ে দেশের নতুন সরকার গঠন হলো। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ায় আগের মন্ত্রিসভা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাতিল হলো।

মন্ত্রী হিসেবে যারা শপথ নিলেন তারা হলেন- আ ক ম মোজাম্মেল হক (মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী), ওবায়দুল কাদের (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী), ড. আবদুর রাজ্জাক (কৃষিমন্ত্রী), আসাদুজ্জামান খান কামাল (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী), ড. হাছান মাহমুদ (তথ্যমন্ত্রী), আনিসুল হক (আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী), আ হ ম মুস্তফা কামাল (অর্থমন্ত্রী), তাজুল ইসলাম (এলজিআরডি), ডা. দীপু মনি (শিক্ষামন্ত্রী), ড. আবদুল মোমেন (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) আবদুল মান্নান (পরিকল্পনামন্ত্রী), নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন (শিল্পমন্ত্রী), গোলাম দস্তগীর গাজী (বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী), জাহেদ মালেক স্বপন (স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী), সাধনচন্দ্র মজুমদার (খাদ্যমন্ত্রী), টিপু মুনশি (বাণিজ্যমন্ত্রী), নুরুজ্জামান আহমেদ (সমাজকল্যাণমন্ত্রী), শ ম রেজাউল করিম (গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী), শাহাব উদ্দিন (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী), বীর বাহাদুর উশৈ সিং (পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী), সাইফুজ্জামান চৌধুরী (ভূমিমন্ত্রী), নুরুল ইসলাম সুজন (রেলপথমন্ত্রী), স্থপতি ইয়াফেস ওসমান (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী), মোস্তাফা জব্বার (ডাক ও টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী)।

এর আগে রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের তালিকা প্রকাশ করেন। এই তালিকা অনুযায়ী আজ বিকেলে প্রত্যেক মন্ত্রীর বাড়িতে পরিবহন পুল থেকে গাড়ি যায়। ওই গাড়িতে চড়ে মন্ত্রীরা বঙ্গভবনে যান শপথ নিতে।

নতুন মন্ত্রিসভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রী নিজের কাছে রেখেছেন।

এই শপথের মধ্যে দিয়েই টানা তৃতীয়বারের মত রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিল আওয়ামী লীগ। আর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চতুর্থ মেয়াদে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিয়ে গড়লে ইতিহাস। ঐতিহাসিক এ নবযাত্রায় নতুনদের প্রতি আস্থা রাখলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবারের ৪৭ জনের মন্ত্রিসভায় ২৭ জনই নতুন মুখ।

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২৫৬টিতেই জয় পায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। মহাজোট পায় ২৮৮টি। যার মধ্যে জাতীয় পার্টি ২২টি, জাসদ তিনটি, ওয়ার্কার্স পার্টি তিনটি, বিকল্পধারা দুটি, তরীকত ফেডারেশন একটি ও বাংলাদেশ জাসদের একটি আসন রয়েছে। অন্যদিকে, বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাত্র সাতটি আসন পায়। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জিতেছেন তিনটি আসনে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এমপিরা ছাড়া নবনির্বাচিত সব এমপিই শপথ নেন। বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের বৈঠকে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা সংসদ নেতা নির্বাচিত হন। পরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান। এই জয়ের ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন শেখ হাসিনা।

এর আগে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপি জোটের বর্জনের মধ্যেই দশম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয়। ১২ জানুয়ারি গঠিত হয় নতুন মন্ত্রিসভা। ওই সময় শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে ৪৮ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। ওই সরকারে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৯ জন মন্ত্রী, ১৭ প্রতিমন্ত্রী এবং দু’জন উপমন্ত্রী ছিলেন। পরে কয়েক দফা মন্ত্রিসভায় রদবদল আনা হলে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়ায় ৫২ সদস্যের। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে টেকনোক্র্যাট তিন মন্ত্রীকে বাদ দেওয়া হয়।

নোকিয়ার ৬ ক্যামেরার ফাইভজি ফোন

আসছে স্মার্টফোন জগতের নতুন সংযোজন নোকিয়া ৯ পিউরভিউ। দুরন্ত ফিচার নিয়ে অন্য স্মার্টফোন সংস্থাগুলোকে টক্কর দিতে আসছে নোকিয়ার নতুন ফোন।

৫জি এই নোকিয়া ফোনে থাকছে স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রসেসর। ফলে সেট হ্যাং করার সম্ভাবনা আর থাকবে না। সেট চলবে অনেক দ্রুত। ‘ট্রু এজ টু এজ কিউএইচডি’ ডিসপ্লে থাকছে এই ফোনে। ফলে ঝকঝকে দেখাবে ফোনের ডিসপ্লে।

এই ফোনের পিছনে রয়েছে পাঁচ-পাঁচটি ক্যামেরা। যাকে বলা হচ্ছে পেন্টা লেন্স ক্যামেরা সেট আপ। অর্থাৎ ছবি উঠবে ফাটাফাটি। এর আগে স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৯ ছিল বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন যাতে কোয়াড রেয়ার ফেসিং ক্যামেরা ছিল চারটি। সে ক্ষেত্রে নোকিয়া হারাতে চলেছে স্যামসাংকে।

ফোনের সামনেও থাকছে একটি ক্যামেরা। ছবিও হবে অত্যন্ত স্পষ্ট। পাঁচ ক্যামেরার ফলে ওয়াইড লেন্সে অনেক কিছুই ধরানো যাবে ক্যামেরার এক ফ্রেমে। এইডিআর-১০ সাপোর্ট-সহ এই ফোনের ডিসপ্লে প্যানেল হওয়ার কথা প্রায় ৬ ইঞ্চির। অ্যাসপেক্ট রেশিও অর্থাৎ ডিসপ্লে ১৮:৯। বাজার চলতি ফোনের চেয়ে আরও অনেকটা বড় ডিসপ্লে।

৮ জিবি পর্যন্ত র‌্যাম পাওয়া যাবে এতে। অন বোর্ড স্টোরেজ ২৫৬ জিবি, ইন্টারনাল স্টোরেজ ১২৮ জিবি। এই ফোনের চার্জিং সিস্টেম ওয়্যারলেস। ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারও দৃশ্যমান নয়। ফোনের দাম হবে ৭৪৯ ইউরো।

কলকাতায় সাবিনা ইয়াসমিনকে আজীবন সম্মাননা প্রদান

দক্ষিণ কলকাতার নজরুল মঞ্চে শুরু হওয়া বাংলা উৎসবে বাংলাদেশ ও কলকাতার জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকে আজীবন সম্মাননা দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের যুব কল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, সঙ্গীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও নচিকেতাসহ দুই বাংলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিন-দিনব্যাপী বাংলা উৎসবের আয়োজক বাংলাদেশের বেঙ্গল গ্রুপের আবুল খায়ের ও ভারতের বন্ধন ব্যাংকের কর্ণধার চন্দ্র শেখর ঘোষ, অভিনেতা অরিন্দম শীল এবং কলকাতার বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্সের মহাপরিচালক শুভদীপ ঘোষ।

বাংলাদেশের সঙ্গীত শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন বলেন, যেকোনো প্রাপ্তি আনন্দের। এটাও আমার কাছে ভাল লেগেছে। দুই বাংলার সবার সঙ্গে আনন্দটা ভাগ করে নিতে চাই।

সঙ্গীতশিল্পী নচিকেতা বলেন, আমি সীমান্ত বিশ্বাস করি না। আর গানের তো কোন সীমান্তই হয়না।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করবেন যে উপায়ে

অফিসের মিটিং হোক বা কোনো অনুষ্ঠানে সবার মাঝে কথা বলতে গেলে সচেতন থাকেন অনেকেই। কারণ কোনো ভাবে যদি মুখ থেকে দুর্গন্ধ আসে তবে আপনার ব্যক্তিত্ব নষ্ট করবে।

সাধারণত মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দুইবার দাঁত ব্রাশ করা, ভাল মাউথ জেল ব্যবহার, ঘন ঘন চিউইংগাম চিবোনোসহ অনেকেই সচেতনতামূলক কাজ করেন।

চিকিৎসকদের মতে, লিভারের কোনো সমস্যা, অতিরিক্ত মসলাদার খাবার, মুখের প্রতিটি প্রান্ত ভাল করে পরিষ্কার না হওয়া ইত্যাদি কারণেও শ্বাসে দুর্গন্ধ আসে। দীর্ঘদিন ধরে এমন সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে ঘরোয়া দুইটি উপায় মেনে চললেও কিন্তু এই সমস্যা অনেকটা কমানো যায়।

একটি পাত্রে বেকিং সোডা নিন। তাতে দিন করুন গরম পানি। বেকিং সোডা ভাল করে পানিতে গুলে গেলে সেই পানি দিয়ে দিনের মধ্যে কয়েকবার কুলকুচি করুন। প্রতিদিন এই অভ্যাস করুন, দেখবেন সহজেই শ্বাসের দুর্গন্ধ কমে গেছে।

সাধারণ লাল চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস কামান। বরং লবঙ্গ দিয়ে ফুটিয়ে নিন গ্রিন টি। সেই চা-ই খান, গ্রিন টি-র অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট মুখএর ক্ষতিকর ব্যাকটিরিয়াকে ধ্বংস করে। লবঙ্গের গন্ধ শ্বাসে সতেজ ভাব আনে।

এই দুই ঘরোয়া উপায় ছাড়াও শ্বাসের গন্ধ দূর করতে কয়েকটা নিয়ম মেনে চলুন প্রতিদিন।

শুধু দাঁত ব্রাশ করলেই হবে না, ব্রাশ করুন জিহ্বাও।

মসলাদার খাবার, জাঙ্ক ফুড এসব শরীরে টক্সিন বাড়ায়। তাই এড়িয়ে চলুন এই ধরণের খাবার।
প্রতিদিন খাবার টেবিলে রাখুন টকদই। শরীরের টক্সিন দূর করতে টকদই খুব ভাল কাজ করে।

ব্যর্থতার গণ্ডিতে বারে বারে আটকে যাচ্ছে বিএনপি : কাদের

শপথ না নিয়ে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট পুরোনো ভুলের পুনারাবৃত্তি করছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর জনগণ যে রায় দিয়েছে, যেটুকু রায় দিয়েছে এটা তাদের সম্মান করা উচিত। সেটা তারা সম্মান করতে ব্যর্থ। ব্যর্থতার গণ্ডিতে বারে বারে আটকে থাকতে হচ্ছে তাদের।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিয়ে যে ভুল করেছিল, এবার শপথ না নিয়ে একই ভুল করছে।

আওয়ামী লীগ বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ নেয়ার আহবান জানিয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি আমাদের পার্টির পক্ষ থেকে, সরকারের পক্ষ থেকেও আমি আমন্ত্রণ করেছিলাম। তাদেরকে অনুরোধ করেছিলাম যে, জনগণের রায়কে অসম্মান করা উচিত হবে না।

ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে ভোট বাতিল দাবিতে স্মারকলিপি দেয়া প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এসব হচ্ছে বিরোধী দল সুলভ আচরণ। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে প্রতিবার যে সিনারিও, হেরে গেলেই যে সিনারিও হয়, যে দৃশ্যপট জন্ম নেয় সেই দৃশ্যপটের পুনরাবৃত্তি আমরা বারে বারে দেখি। তো এটা এক সময় থেমে যাবে। কারণ দেশের মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে ভোট দিয়েছে।

শেখ হাসিনার ম্যাজিকে এই জনরায় মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, উন্নয়নের পক্ষে এবং আমাদের নেত্রীর ব্যক্তিগত সততা এবং ক্যারিশমার পক্ষে এই জনরায়। এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়, এই নির্বাচনের বিজয়ের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে ‘হাসিনা ম্যাজিক’। এটাই হলো বাস্তবতা। লিডারের প্রতি তার উন্নয়ন, তার রাজনীতি, তার স্বচ্ছতা, তার সততা, তার যোগ্যতা-দক্ষতা প্রতি সমর্থন দিয়েছে দেশের মানুষ।

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তাদেরকে দায়িত্বে কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সংগঠনটির সাবেক সভাপতি কাদের বলেন, ছাত্রলীগ সময়ের চাহিদা পূরণে দায়িত্ব পালন করবে।উন্নয়নের পক্ষে বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে সংগঠিত করবে। ছাত্রলীগ তো তারুণ্যের প্রতীক, এনার্জির প্রতীক।

সৈয়দ আশরাফ আর নেই

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আর নেই (ইন্না লিল্লাহি… রাজিউন)।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

সৈয়দ আশরাফের চাচাত ভাই সৈয়দ তারেকুল ইসলাম ভিক্টর সমকালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। গুরুতর অসুস্থতার কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সংসদ থেকে ছুটি নেন তিনি।

দেশে না থেকেও রোববার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ।

বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম শপথ নেওয়ার জন্য সময় চেয়ে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত আর শপথ নেওয়া হলো না তার। স্পিকারকে চিঠি দেওয়ার পরদিনই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন তিনি।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারি ময়মনসিংহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শিলা ইসলাম- ফাইল ছবি
১৯৭৫ সালে কারাগারে বাবা সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পর দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে থাকা আশরাফ দেশে ফিরে ১৯৯৬ সালে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৪ সালেও একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা জারির পর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা কারাবন্দি হলে যে কয়জন নেতা দলটির হাল ধরেছিলেন, সৈয়দ আশরাফ তাদের অন্যতম। তিনি দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক: সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এক শোকবার্তায় মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তার শোকবার্তায় বলেন, ‘সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে দেশ একজন মহৎ-প্রাণ, সৎ, নীতিবান ও দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারাল। আওয়ামী লীগ হারিয়েছে একজন আদর্শবান-ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির অগ্রযাত্রা ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের অভিযাত্রায় ইতিহাসের ধ্রুবতারা হয়ে বেঁচে থাকবেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।’ শোক বার্তায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সুযোগ্য পুত্র একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও কীর্তিগাঁথা গৌরবময় নেতৃত্ব চির অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।’ মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও শোক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেনা জানান তিনি। এছাড়া সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল ইসলাম, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা, জাসদের সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাক দিলীপ বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ড. আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান প্রমুখ।

ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির শোক: সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপি নেতারা শোক জানিয়েছেন। শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা

হোঁচট খেয়ে বছর শুরু চেলসির

নতুন বছরের শুরুটা ভালো হয়নি চেলসির। নিজেদের মাঠে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে পয়েন্ট তালিকার অবনমন অঞ্চলে থাকা সাউথ্যাম্পটনের কাছে পয়েন্ট হারিয়েছে মাউরিসিও সাররির দল।

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে বুধবার রাতে গোলশূন্য ড্র করা চেলসি ২১ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে। ক্রিস্টাল প্যালেসকে হারিয়ে ২০১৮ সাল শেষ করেছিল ব্লুজ খ্যাত দলটি।

শুরু থেকে বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকলেও গোলের দেখা পায়নি চেলসি। দ্বাদশ মিনিটে আলভারো মোরাতার হেড ও ২৩তম মিনিটে উইলিয়ানের শট ঠিকানা খুঁজে পায়নি। ৩৪তম মিনিটে আন্টোনিও রুডিগারের তৈরি করে দেওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ড এদেন আজার।

৫৮তম মিনিটে রস বার্কলির বাড়ানো বল লক্ষ্যে রাখতে পারেননি আজার। এরপর জর্জিনিয়োর শট, দাভিদ লুইসের হেডও লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে স্বাগতিক সমর্থকদের হতাশা আরও বাড়ে। যোগ করা সময়ে সেস ফাব্রেগাসের বাড়ানো বল মার্কোস আলোনসো কাজে লাগাতে না পারলে চলতি লিগে পঞ্চম ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেলসি।

প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে মূল্যবান এক পয়েন্ট নিয়ে ফেরা সাউথ্যাম্পটন ২১ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৮তম স্থানে আছে।

২০ ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে লিভারপুল। মঙ্গলবার রাতে কার্ডিফ সিটিকে ৩-০ গোলে হারানো টটেনহ্যাম হটস্পার ২১ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে আছে দ্বিতীয় স্থানে।

তৃতীয় স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির পয়েন্ট ২০ ম্যাচে ৪৭।

শনিবার ফুলহ্যামকে ৪-১ গোলে হারানো আর্সেনাল ২১ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে আছে পঞ্চম স্থানে।

বুধবারের আরেক ম্যাচে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে ২-০ গোলে হারানো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে আছে।

শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানালেন পুতিন

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বুধবার (২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, দেশটির কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী, সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও কূটনীতিকগণ।

শীতে শরীর গরম রাখতে যা খাবেন

চারদিক এখন শীতের চাদরে ডেকে গেছে। বছরের এই সময়টিতেই সবচেয়ে বেশি শীত পড়ে। আর গরমের ছোঁয়া পেতে আমরা কত কিছুই না গায়ে পড়ে থাকি। কিন্তু জানেন কি এমন কিছু খাবার আছে যা খেলে আপনার শরীরের তাপমাত্রা থাকবে স্বাভাবিক। জেনে নিন কোন কোন খাবারে শীতকালেও শরীর গরম থাকে।

মধু

শীতে সর্দি, কাশির সমস্যা খুবই স্বাভাবিক। আর এর বিরুদ্ধে লড়তে অসাধারণ এক উপাদান হলো মধু। মিষ্টিজাতীয় খাবার হলেও মধুতে নেই বাড়তি ক্যালরি। এছাড়া শরীর গরম রাখতেও বেশ উপকারি এটি।

আপেল

শীতে আপেলের কোনো তুলনা হয় না। কেননা আপেলে রয়েছে প্রায় ৪.৪ গ্রাম ফাইবার। আপেলের স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার দুটোই আমাদের দেহের উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও আপেলে রয়েছে ৮৬% পানি যার ফলে আমরা শীতে কম পানি পান করলেও আমাদের দেহকে সঠিকভাবে হাইড্রেট রাখতে সহায়তা করবে।

স্যুপ

শীত স্যুপ করলে শরীরে গরম অনুভূত হয়। শীতকালে স্যুপ পানের ফলে উষ্ণতার পাশাপাশি স্বাদ ও স্বাস্থ্য দুটোর প্রতিই নজর দেয়া যায়। বিশেষ করে তা যদি কুমড়ার স্যুপ হয়ে থাকে। শরীর গরম রাখতে শীতের সন্ধ্যায় খেতে পারেন স্যুপ জাতীয় খাবার।

মরিচ

শীতকালে খাবারে সাথে খেতে পারেন মরিচ। মরিচে রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীর থেকে ঠাণ্ডার অনুভূতি দূর করে। সর্দি এবং কফ কমায়। মরিচের ঝাল একটু বেশি দিয়ে খাবার রান্না করে খান দেখবেন শীত অনেক কম লাগছে।

রসুন

শীতে সর্দি, কাশি ও গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে কার্যকরি রসুন। পাশাপাশি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এটি। প্রতিদিন তিন, চার কোয়া রসুন সরাসরি বা রান্নায় ব্যবহার করে খেতে পারেন।

মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলু শীতকালের অন্যতম একটি সবজি। আর এই সবজিটিরও রয়েছে শীত দূর করার ক্ষমতা। ফাইবার, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন সমৃদ্ধ মিষ্টি আলুকে বলা হয় সুপারফুড। যার রয়েছে।

আদা

আদা শরীরের জন্য অন্যতম একটি উপকারি উপাদান। শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় আদা। তাই শীতে শরীর সুস্থ রাখার উপযুক্ত উপায় এটি। পাশাপাশি সর্দি-কাশি কমাতেও সাহায্য করে। স্যুপ বা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে আদা খেতে পারেন। কাঁচাও খাওয়া যায়। এছাড়া শীতের সময় আদার চা খেলে শরীর গরম থাকে।

বাদাম

শরীর গরম রাখতে বিভিন্ন জাতের বাদাম যেমন, চিনাবাদাম, আখরোট, কাঠবাদাম ইত্যাদি ভাল। কোলেস্টেরল, ভিটামিন, ফাইবার ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের সবচেয়ে ভাল উৎস এটি।

দারুচিনি

দারুচিনি শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। ফলে এই মসলা বেশ উপকারি। আলাদা স্বাদ আনতে স্যুপ, রান্না করা খাবার, স্যালাদের সঙ্গে দারুচিনি মিশিয়ে নিতে পারেন। এছাড়া চায়ের সঙ্গেও মেশাতে পারেন।

ফেনীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত

ফেনীর দাগনভূঁঞায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদকবিক্রেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-৭) ফেনী ক্যাম্প কমান্ডার শাফায়াত জামিল ফাহিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ফেনীর দাগনভূঁঞায় রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে মাদকবিক্রেতারা গুলি ছোড়েন। পরে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

পরে ঘটনাস্থল থেকে দু’জন মাদকবিক্রেতার গুলিবিদ্ধ মরদেহ, একটি ওয়ান শুটারগান ও ১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার এবং ২৫০ কেজি গাঁজাসহ একটি কাভার্ডভ্যান জব্দ করা হয়।