৩০০ আসনের মধ্যে ২৫টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করবো: সিইসি

232

ঢাকা: সরকার যদি আইন প্রণয়ন করে আর পরিবেশ যদি অনুকূলে থাকে তাহলে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা

সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) ভবনের সম্মেলন কক্ষে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বলেন

ইটিআইয়ের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

নূরুল হুদা বলেন, যদি আইন হয়, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া যায় এবং সব মহলের গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া যায় তবেই ভাবা হবে ইভিএম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার হবে কি হবে না

তিনি আরো বলেন, আমরা যদি মনে করি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করবো। এক্ষেত্রে কারো পছন্দঅপছন্দ থাকবে না

নূরুল হুদা বলেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে ভোটার রাজনৈতিক মহলে উৎকণ্ঠা থাকা স্বাভাবিক। কারণ আমরা এটির ব্যবহার, উপকারিতা সম্পর্কে এখনো তাদেরকে জানাতে পারিনি। পর্যায়ক্রমে তারা সব জানতে পারবেন

সিইসি বলেন, প্রযুক্তি এখন আর বাক্সের মধ্যে বন্দি নেই। এটি এখন মানুষের হাতে হাতে। মোবাইলের মাধ্যমেই আমরা এখন সব তথ্য আদানপ্রদান করতে পারি। যেকোনো উদ্যোগ নতুন আবিষ্কার বা প্রযুক্তি তা জানার উৎকণ্ঠা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এটা আমরা ইতিবাচক হিসেবেই দেখি

ইভিএমের টাকার দায়িত্ব ইসির ওপর আসবে না জানিয়ে সিইসি বলেন, আমার কাছে যখন ইভিএমের প্রস্তাব এসেছিল, আমি প্রথমেই জানিয়েছিলাম ইভিএমের টাকার দায়িত্ব ইসির কাছে আসবে না। অর্থ মন্ত্রণালয় তা সরবরাহ করবে। সরকারিভাবে অর্থ আদানপ্রদানের বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে। আমাদের কাছে কোনো তহবিলই আসবে না। তাহলে আমাদের জন্য সুবিধা হবে।

এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০০ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিকল্পনা রয়েছে

তিনি বলেন, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সে অনুযায়ী নির্বাচনী সব প্রস্তুতি গ্রহণ করে কাজ করে চলেছে ইসি। নির্বাচনকে ঘিরে এরই মধ্যে ৮০ ভাগের বেশি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

ইসি সচিব আরো বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করার পরিকল্পনা আছে ইসির। সে লক্ষ্যে দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে ইসি। নির্বাচনের আগে আইন পাস, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতসহ সবকিছু ঠিক থাকলে সংসদ নির্বাচনের একতৃতীয়াংশ আসনে ইভিএম ব্যবহার করার মতো সক্ষমতা থাকবে ইসির।

হেলালুদ্দীন বলেন, তবে ইভিএম ব্যবহার করার আগে ভিত্তিস্বরূপ আইন দরকার। ৩০ আগস্ট কমিশন সভায় আরপিও সংশোধনসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তারপর সেটা ভেটিংয়ের (যাচাইবাছাই) জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে।

হেলালুদ্দীন আহমদ আরো বলেন, আইন পাস হলে তার পরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলবে কমিশন। তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কি হবে না। আর তা ছাড়া জাতীয় নির্বাচনের পরেই সারা দেশের সব উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সেখানেও ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

ঢাকা: সরকার যদি আইন প্রণয়ন করে আর পরিবেশ যদি অনুকূলে থাকে তাহলে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা

সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) ভবনের সম্মেলন কক্ষে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বলেন

ইটিআইয়ের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন

নূরুল হুদা বলেন, যদি আইন হয়, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া যায় এবং সব মহলের গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া যায় তবেই ভাবা হবে ইভিএম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার হবে কি হবে না

তিনি আরো বলেন, আমরা যদি মনে করি ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করবো। এক্ষেত্রে কারো পছন্দঅপছন্দ থাকবে না

নূরুল হুদা বলেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে ভোটার রাজনৈতিক মহলে উৎকণ্ঠা থাকা স্বাভাবিক। কারণ আমরা এটির ব্যবহার, উপকারিতা সম্পর্কে এখনো তাদেরকে জানাতে পারিনি। পর্যায়ক্রমে তারা সব জানতে পারবেন

সিইসি বলেন, প্রযুক্তি এখন আর বাক্সের মধ্যে বন্দি নেই। এটি এখন মানুষের হাতে হাতে। মোবাইলের মাধ্যমেই আমরা এখন সব তথ্য আদানপ্রদান করতে পারি। যেকোনো উদ্যোগ নতুন আবিষ্কার বা প্রযুক্তি তা জানার উৎকণ্ঠা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এটা আমরা ইতিবাচক হিসেবেই দেখি

ইভিএমের টাকার দায়িত্ব ইসির ওপর আসবে না জানিয়ে সিইসি বলেন, আমার কাছে যখন ইভিএমের প্রস্তাব এসেছিল, আমি প্রথমেই জানিয়েছিলাম ইভিএমের টাকার দায়িত্ব ইসির কাছে আসবে না। অর্থ মন্ত্রণালয় তা সরবরাহ করবে। সরকারিভাবে অর্থ আদানপ্রদানের বিষয়টি নির্ধারণ করা হবে। আমাদের কাছে কোনো তহবিলই আসবে না। তাহলে আমাদের জন্য সুবিধা হবে।

এর আগে মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০০ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিকল্পনা রয়েছে

তিনি বলেন, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সে অনুযায়ী নির্বাচনী সব প্রস্তুতি গ্রহণ করে কাজ করে চলেছে ইসি। নির্বাচনকে ঘিরে এরই মধ্যে ৮০ ভাগের বেশি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

ইসি সচিব আরো বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করার পরিকল্পনা আছে ইসির। সে লক্ষ্যে দেড় লাখ ইভিএম কেনার জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে ইসি। নির্বাচনের আগে আইন পাস, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতসহ সবকিছু ঠিক থাকলে সংসদ নির্বাচনের একতৃতীয়াংশ আসনে ইভিএম ব্যবহার করার মতো সক্ষমতা থাকবে ইসির।

হেলালুদ্দীন বলেন, তবে ইভিএম ব্যবহার করার আগে ভিত্তিস্বরূপ আইন দরকার। ৩০ আগস্ট কমিশন সভায় আরপিও সংশোধনসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তারপর সেটা ভেটিংয়ের (যাচাইবাছাই) জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে।

হেলালুদ্দীন আহমদ আরো বলেন, আইন পাস হলে তার পরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলবে কমিশন। তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে কি হবে না। আর তা ছাড়া জাতীয় নির্বাচনের পরেই সারা দেশের সব উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সেখানেও ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

শেয়ার করুন ..