“শিক্ষকদের উদ্দেশে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী”

শিক্ষার্থীদের আপনারা আদর করে বোঝান, তাদের দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। তার বাস্তবায়নে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

রোববার (৫ আগস্ট) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরীর সব কলেজের (সরকারি-বেসরকারি) অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে জরুরি মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, অভিভাবকদের ডেকে সভা করতে হবে। শিক্ষক-অভিভাবক মিলে এ ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষার্থীরা আগামীকাল থেকে আন্দোলনে নামলে তার দায়িত্ব শিক্ষাপ্রধানদের নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের বোঝাতে হবে। কোনও অজুহাত দেখানোর সুযোগ নেই। আমরা খবর নেবো, তথ্য রাখবো, কে করছেন, কে করছেন না। এবার আপনাদের পরীক্ষার সময়, কে পারবেন আর কে পারবেন না।

তিনি বলেন, মিথ্যা গুজবে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। কোনো কোনো মহল এর সুবিধা নিতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের এখন ক্লাসে ফিরতে হবে, ঘরে ফিরতে হবে। তাদের দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। তার বাস্তবায়নে কাজ চলছে। তারা যে আন্দোলন করছে তা যৌক্তিক। আমরা তাদের দোষারোপ করছি না। তারা যৌক্তিক দাবিতে রাস্তায় নেমেছে।

শিক্ষার্থীদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তোমাদের অভিনন্দন, তোমাদের বিজয় হয়েছে। কোমলমতি প্রকৃত শিক্ষার্থীদের আন্তরিকতা, ক্ষোভ ও দুঃখকে সম্মান জানাচ্ছি। দয়া করে রাজপথ ছেড়ে ক্লাসে ফিরে যাও। দয়া করে বাড়িতে যাও। তোমাদের অর্জন রক্ষা করা হবে। নিজেকে আরও প্রস্তুত করো, আরও বড় পদক্ষেপ নিতে হবে। তাই এখন রাজপথে থাকা ঠিক হবে না।

পরিবহন শ্রমিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের সন্তানও রাস্তায় চলাফেরা করে। তারাও কোনো না কোনো স্কুল-কলেজে পড়ে। তাই তাদের কথা চিন্তা করে হলেও লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি নিয়ে রাস্তায় নামবেন না।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মো. মাহাবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন।

সচিব বলেন, কোন শিক্ষার্থী কোন অবস্থাতেই যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। তাদেরকে পাঠক্রমে, ক্লাসরুমে ফিরে আসতে হবে।

সভায় অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ এবং প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকগণ তাদের মতামত তুলে ধরেন। মতবিনিময় সভাটি দুটি শিফটে সম্পন্ন হয়। প্রথম শিফটে ঢাকা মহানগরীর ২৪২টি সরকারি-বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং দ্বিতীয় শিফটে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষকগণ অংশগ্রহণ করেন।

ঢাকার কুর্মিটোলায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনার পরে নয় দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। রোববারও অষ্টম দিনের মতো রাজধানীতে আন্দোলন হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে এ সভার আয়োজন করা হয়।






সম্পর্কীত

  • ১ সেপ্টেম্বর থেকে মেডিকেল ভর্তি কোচিং বন্ধ
  • অনুমোদন পাচ্ছে আরও তিনটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
  • পঞ্চম শ্রেণিতে থাকছে না সমাপনী পরীক্ষা
  • বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের ডেকেছে সরকার
  • ১ নভেম্বর থেকে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা
  • সরকারি কলেজের প্রভাষক নিয়োগে বিশেষ বিসিএস শিগগিরই
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ
  • লিখিত নয়, এমসিকিউ পদ্ধতিতেই রাবির ভর্তি পরীক্ষা