‘ঝিনাইদহ পৌরসভা ফুটবল দলকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাই’ : বাবু মিলন ঘোষ

298
KODAK Digital Still Camera

এলিস হক, ঝিনাইদহ হতে : ভারতের পশ্চিমবাংলার কল্যানী মিউনিসিপ্যালিটি স্পোর্টস একাডেমী দল সম্প্রতি ঝিনাইদহ সফরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলতে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্টেডিয়ামে এসেছিল। দলটির প্রধান সমন্বয়কারী কর্মকর্তা ছিলেন বাবু মিলন ঘোষ। তিনি ভারতের পশ্চিমবাংলা রাজ্যের মানুষ। নদীয়ায় তার মাতৃভূমি। মিলন ঘোষ এক সময়ের সত্তর দশকে নামজাদা ফুটবল খেলোয়াড়। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ও জাতীয় ফুটবল খেলেছেন। ১৯৭১ সালে নদীয়ায় অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের খেলার সময় তিনিও ছিলেন।

ঝিনাইদহ স্টেডিয়ামে প্রবেশ করার পর তিনি অভিভূত হয়ে পড়েন। সবার সাথে কুশল বিনিময় করে পরিচিত হন। হারিয়ে যাওয়ার দিনগুলোর ঘটনা নিয়ে ঝিনাইদহের সাবেক ও বর্তমান ক্রীড়াবিদদের সাথে সৌজন্য পর্বে অনেক কথাই বলেন বাবু মিলনদা। প্রতিবেদককে কাছে পেয়ে মিলনদা হাসতে হাসতে বলেই ফেললেন-‘বাংলাদেশ আমার দ্বিতীয় বাড়ি। আপনাদের চমৎকার ব্যবহার দেখে সত্যি মনে হয়েছে যে, আমি যেনো এখনকারই লোক।’

খেলা শুরুর পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাইক্রোফোন ধরে নিয়ে বাবু মিলন ঘোষ বলেন, ‘এতো সুন্দর অনুষ্ঠান…যা ভাবাই যায় না। আমরাও হয়তো এতো ভালো করতে পারবো না। তবে আমরা চেষ্টা করবো। আমরা হয়তো মিলেমিশে থাকার জন্য চেষ্টা করছি। হয়তো আগামীতে আরো ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে পারবো।

তিনি আরো বলেন-‘এখানে যারা উপস্থিত আছেন। এখানে ঝিনাইদহের জীবন দাদাও আছেন..উনি খেলাধুলার লোক। আরো বেশ কয়েক জন আছেন যারা এ জগতের ক্রীড়াঙ্গনের মানুষ। খুব ভালো লেগেছে আমার।’
‘সম্ভাবনাময় দু’দেশের যুব খেলোয়াড়েরাও আছেন..আপনাদের ঝিনাইদহ পৌরসভা দলকে আগামীতে আমাদের কল্যানী স্পোর্টস একাডেমীর ওখানে খেলার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। যাতে করে আমরা এবং আপনাদের দলের মধ্যকার সুসম্পর্ক আরো বেশি স্থাপন করতে পারি।’
আমরাও চাই…বাংলাদেশের যেকোনো দল বা পৌরসভা দল ভারতের কল্যানীর মাঠে খেলুক। আমরা চাইছিলাম যে, ঝিনাইদহ পৌরসভা খেলোয়াড়েরা ঐ কল্যানীতে খেলতে যায়-আমি এটা চাইছিলাম…এটা হলে খুব ভালো হতো। আমি সেটাও দেখতে চাই।’
প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলা শেষ। ঝিনাইদহের ক্রীড়া সংগঠক জয়নাল আবেদীনসহ অন্যান্য সদস্যদেরকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাতে ভোলেননি কল্যানী স্পোর্টস একাডেমীর সমন্বয়কারী কর্মকতা মিলনদা।

শেয়ার করুন ..