বিছনাকান্দিতে অবৈধ নৌ-ঘাট স্থাপনে দুর্ভোগে ভ্রমন পিপাসুরা

246

সিলেট প্রতিনিধি :: সিলেটের গোয়াইনঘাটে বিছনাকান্দি পর্যটন এলাকায় অবৈধ একটি পর্যটক নৌঘাট গড়ে তুলে পর্যটকদের কাছ থেকে নিয়ম বহিঃর্ভুত ভাবে নৌকা পরিচালনা ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে।

অবৈধ ভাবে গড়ে তুলা এ নৌঘাট স্থাপিত হওয়ায় দূর্ভোগ ভোগান্তিতে পড়েছেন পর্যটক দর্শনার্থীরা। বিছনাকান্দি বেড়াতে এসে অবৈধ নৌঘাটের মাঝিদের দ্বারা হয়রানির শিকারও হচ্ছেন কেউ কেউ।

১নং রুস্তুমপুর ইউনিয়নের পিরের বাজার কুনকিরি এলাকায় আবুল হোসেন, রহিম উদ্দিন, হোসেন আহমদ, বিলাল, মোহাম্মদ আলীসহ কতিপয় ব্যক্তিবর্গ মিলে অবৈধ নৌঘাট বানিয়ে পর্যটক বাহী যানবাহন আটকে তাদের নৌকায় বিছনাকান্দি ভ্রমণে বাধ্য করছে। তাদের এমন কর্মকান্ডে তাদের ক্ষমতার শেকড় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলা প্রশাসনের দেয়া ইজারার প্রেক্ষিতে এ নৌঘাট পরিচালিত হচ্ছে এমন দাবী করা হলেও সরজমিনে গেলে উপজেলা প্রশাসন কিংবা সংশ্লিষ্ট কারোরই দেয়া বৈধ কোন কাগজ পত্রাদি দেখাতে পারেনি চাঁদা আদায় কারিরা।

স্থানীয় এবং প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ১নং রুস্তুমপুর ইউনিয়ন কর্তৃক কামরুল ইসলাম নামক এক ব্যবসায়ীকে ইজারা দেয়া হয়। রুস্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন ১৪২৫বাংলা সনের ১লা বৈশাখ হইতে ৩০শে চৈত্র ১৪২৫বাংলা পর্যন্ত কামরুল ইসলাম নামের ব্যাবসায়ীকে ০৬/০৪/২০১৮ইং ইজারা প্রদান করেন। অবৈধ ইউএনও’র নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ নৌঘাট স্থাপন করায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন বৈধ ইজারাদার।

সরেজমিনে কোনকুরি এলাকায় গেলে দেখা যায় অবৈধ নৌ-ঘাটের মাঝিরা ঘাট বসিয়ে একটি সাইনবোর্ড টাঙ্গিয়েছেন। সেখানে উপজেলা প্রসাশনের নির্দেশনা ও বাড়ার হার শুভা পাচ্ছে। এসময় মাঝিদের সাথে কথা হলে তারা উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তার কাছ থেকে ইজারা নিয়েছেন বলে দাবি করেন। এসময় তাদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র চাইলে তারা একটি নৌ-ঘাট ইজারাদানের জন্য উপজেলা নির্বার্হী অফিসার বরাবরে একটি আবেদন পত্র দেখালেও সেখানে ঘাট বসিয়ে ইজারার নামে কোন টাকা আদায়ের নির্দেশনা নেই।

এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল জানান, আমার কাছে কতিপয় লোকজন একটি ঘাটের জন্য আবেদন করেছে। কিন্তু আমি কাউকে কোন নির্দেশনা দেইনি।

শেয়ার করুন ..