পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

248

সুপার ফোরের শেষ ম্যাচ তথা অলিখিত সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। দলের বোলারদের অসাধারণ নৈপুণ্যে এ জয় পেল বাংলাদেশ।

আবুধাবিতে টাইগারদের দেওয়া ২৪০ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান ২০২ রান তোলে। টাইগারদের হয়ে ১০ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান।

মেহেদি মিরাজ দুটি উইকেট নেন। এ ছাড়া একটি করে উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের বিদায় ঘণ্টা বাজাতে সহায়তা করেন রুবেল হোসেন, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকার।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৩ রান আসে ইমাম উল হকের ব্যাট থেকে। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা শোয়েব মালিক ৩০ ও আসিফ আলী ৩১ রান করেন। সরফরাজ (১০) ও শাহীন শাহ (১৪) ছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি কোনো পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান।

এর আগে মুশফিক-মিথুনের ব্যাটে বাংলাদেশ শুরুর ধাক্কাটা ভালোভাবেই কাটিয়ে উঠেছিল। কিন্তু লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশের শেষটা ভালো হয়নি। শেষ পর্যন্ত টাইগারদের ইনিংস থামে ২৩৯ রানে।

টাইগারদের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৯ রান করেন মুশফিকুর রহিম। এ ছাড়া মিথুনের ব্যাট থেকে আসে ৬০ রান। মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়েই বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ায় বিপর্যয় থেকে। কিন্তু এই ম্যাচে মাত্র এক রানের জন্য সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন মুশফিক। এক রান যেন দুঃখ হয়ে থাকল মুশফিকের জন্য।

মাত্র ১২ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারানোর পর মুশফিক-মিথুনের ১৪৪ রানের জুটিতে ধীরে ধীরে শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠে বাংলাদেশ। এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এ জুটি থেকে আসে ১৩১ রান।

ব্যাট হাতে আজ ব্যর্থ হয়েছেন ইমরুল কায়েস। মাত্র নয় রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এ ছাড়া মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ক্রিজে থিতু হয়েও শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারেননি। ৩১ বলে ২৫ রানের মাথায় জুনাইদ খানের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান তিনি। মাশরাফির ১৩ ও মিরাজের ১২ রান বাংলাদেশে সম্মানজনক স্কোর গড়তে অবদান রাখে।

সাকিবের পরিবর্তে একাদশে নেমে রান পাননি মমিনুলও। ইনিংসের শুরুতে চার ওভার না যেতেই বাংলাদেশ হারিয়ে বসে তিন উইকেট। মমিনুল রানের খাতা খুলতে পারলেও শূন্য রানে ফেরেন দীর্ঘ ১০ মাস পর দলে ফেরা সৌম্য সরকার। জুনাইদের বলে আউট হন তিনি। আর মমিনুলের ব্যাট থেকে আসে মাত্র পাঁচ রান। লিটন ছয় রান করে ফেরেন সাজঘরে।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন জুনাইদ খান। দুটি করে উইকেট নেন হাসান আলী ও শাহেন শাহ আফ্রিদি। শাদাব খানের ঝুলিতে জমা হয় একটি উইকেট।

শেয়ার করুন ..