ধর্ম নিয়ে অপপ্রচার করলে উপযুক্ত শাস্তি : প্রধানমন্ত্রী

143

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কেউ ধর্মের অবমাননা করলে কিংবা ধর্ম নিয়ে অপপ্রচার চালালে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্মের অপব্যখ্যাকারী ও অপপ্রচারকারীদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে।

আল হাইয়াতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া আয়োজিত শোকরানা মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আজ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কওমী মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদীছের সনদকে মাস্টার্সের মর্যাদা দেওয়ার প্রধানমন্ত্রী সংবর্ধনা দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কওমী সনদের স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্য কেউ ক্ষমতায় এসে যেন কওমী মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদীছের সনদের মাস্টার্সের মর্যাদা কেড়ে নিতে না পারে সেজন্যই আইন করা হয়েছে। কেউ এই স্বীকৃতি কেড়ে নিতে পারবে না।

এর আগে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলেমদের সম্মান দিতে জানেন। এদেশে কোনো সরকার আলেমদের যেই স্বীকৃতি দেয় নি, শেখ হাসিনার সরকার তা দিয়েছে।

আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শুধু বাংলাদেশের নেতা নন। তিনি বিশ্বনেতা। তিনি মানবতার জননী। তাই তো নির্যাতিত নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলিমদের এদেশে আশ্রয় দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে তিনি সভামঞ্চে পৌঁছান।

সকাল ৯টায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শোকরানা মাহফিল শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী। প্রধানমন্ত্রী সমাবেশ স্থলে এলে তাকে স্বাগত জানান কওমি মাদ্রাসার শীর্ষ আলেমরা। এসময় প্রধানমন্ত্রী আলেমদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কওমী আলেমদের আগমনে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। আলেমরা মুহূর্মুহূ স্লোগান দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের দাবি বঙ্গবন্ধু কন্যা পূরণ করায় সবাই খুশি।

অনুষ্ঠানমঞ্চে কওমি আলেম ওলামাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান উপস্থিত আছেন। ইতোমধ্যে উদ্বোধনী বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা।

শেয়ার করুন ..