ব্লাড প্রেশার কমে গেলে যা করবেন

1902

একজন সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ হয় ১২০/৮০। রক্তচাপ যদি এর চেয়ে কম হয়, অর্থাৎ ৯০/৬০ বা এর আশেপাশে হলে তাকে ‘লো ব্লাড প্রেশার’ ধরা হয়। প্রেশার অতিরিক্ত কমে গেলে মস্তিস্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে ঠিকমতো রক্ত চলাচল করতে পারে না। এর ফলাফলও হয় মারাত্মক।

লো প্রেশারের কারণ-

অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয়, স্নায়ুর দুর্বলতা- ইত্যাদি কারণে লো প্রেশার হয়ে থাকে।

লো প্রেশারের লক্ষণ-

১। প্রেশার লো হলে ক্লান্তি, অবসাদ দেখা দেয়।

২। বমি বমি ভাব ও বুক ধড়ফড় করে।

৩। দৃষ্টি ঝাপসা লাগে, অনেক সময় রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়।

৪। স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

৫। অতিরিক্ত ঘাম হয় এবং ডায়রেয়া হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৬। গর্ভবতী নারীদের গর্ভের প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে লো প্রেসার হতে পারে।

হঠাৎ প্রেশার কমে গেলে যা করবেন-

এক গ্লাস পানিতে ২ চা চামচ চিনি ও আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। লবণে থাকা সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়ায়। তবে ডায়াবেটিস থাকলে চিনি এড়িয়ে চলুন।

ব্লাড প্রেশার বাড়াতে দারুণ কাজ করে কফি। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট এবং ক্যাফেইন রয়েছে এমন পানীয় খেলে তাড়াতাড়ি ব্লাড প্রেশার বাড়ে। যারা দীর্ঘদিন লো প্রেশার সমস্যায় ভুগছেন তারা সকালের নাস্তা শেষে এক কাপ কফি খেতে পারেন।

বিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুইয়ের জন্যই সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। প্রতি সপ্তাহে বিটের রস খেলে প্রেশার সঠিক মাপে থাকবে।

লো প্রেশার সমস্যায় থাকলে ৫টি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন।

পুদিনা পাতায় থাকা ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক ইত্যাদি উপাদান দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ায় এবং মানসিক অবসাদ দূর করে।

অতিরিক্ত কাজের চাপ, রোদে ঘোরাঘুরি, মানসিক অবসাদ থেকে দূরে থাকুন সবসময়।

শেয়ার করুন ..