সাতক্ষীরায় স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন

351

সুজন ঘোষ,সাতক্ষীরা ::
সাতক্ষীরায় স্কুল ছাত্রীকে অপহরনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছে আদালত।

বৃহস্পবার দুপুরে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক হোসনে আরা আক্তার এ রায় প্রদান করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামীর নাম, ভোলানাথ মন্ডল (২৫)। তিনি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের মৃত গোপীনাথ মন্ডলের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের মুনসুর গাজীর কন্যা ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী মর্জিনা পারভিন মীরা ২০০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় বাড়ি থেকে বের হয়ে বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্ট আনতে স্কুলে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে দক্ষিণ শ্রীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সামনে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা ভোলানাথ মন্ডল তার গতিরোধ করে মটরসাইকেলযোগে তাকে অপহরন করে নিয়ে যায়।

অনেক খোজাঁখুঁজির এক পর্যায়ে ওই স্কুল ছাত্রীর ভাই মফিজুর রহমান গাজী বাদী হয়ে ২০০৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী ভোলানাথ মন্ডলকে প্রধান আসামী করে পাঁচ জনের নামে কালিগঞ্জ থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করেন। এরপর ওই বছরের ২৪ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই আক্কাস আলী দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামী ভোলানাথ মন্ডলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

এ মামলায় ৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও নথি পর্যালোচনা করে আসামী ভোলানাথ মন্ডলেরর বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড, এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেন। তবে এ রায়ের সময় আসামী ভোলানাথ মন্ডল পলাতক ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাড. জহুরুল হায়দার বাবু।

শেয়ার করুন ..